খেলাফতে রাশেদার যুগ, হযরত ওমর রাযি.-এর শাসনামল। পারস্যের এক দুর্গে বন্দী এক অগ্নিপূজক যুবতী, যিনি কখনো মুসলমান দেখেননি, এক মুসলিম যুবককে দেখে অন্তরে অনুভব করলেন এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন। সেই যাত্রা কীভাবে শেষ হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা মোবারকের পাশে — পড়ুন আজকের এই ঈমানী কাহিনী।
খেলাফতে রাশেদার যুগ ও হযরত ওমর রাযি.-এর শাসনামল
খেলাফতে রাশেদার যুগ। তখন খেলাফতের মসনদে সমাসীন ছিলেন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওমর (রাযি)। ইসলামের সবচেয়ে বেশি প্রচার- প্রসার তাঁর শাসনামলেই ঘটেছিল।
আপনি কি উমর নামের অর্থ, উৎপত্তি ও ইতিহাস জানেন?
হযরত ওমর ফারুক (রাযি) কালিমা খচিত পতাকা দিয়ে খোদার সৈনিকদেরকে দিগ্বিদিক পাঠিয়ে দেন। তাঁরা বাতিলের সাথে লড়াই করেন । বিজয়মাল্য ছিনিয়ে আনতে সকল শক্তি ব্যয় করেন। ওমর রাযি. দূতের মাধ্যমে তাদের খবরাখবর নেন। প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন । এভাবেই অর্ধ পৃথিবীতে কালিমার পতাকা উড্ডীন হয়, প্রতিষ্ঠিত হয় আল্লাহর আইন।
পারস্য যুদ্ধ ও দুর্গ অবরোধের ঘটনা!
সেই ফারুকে আযম (রাযি) এর সময়কার এক ঘটনা। তখন পারস্যবাসীদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ চলছিল। তারা ছিল অগ্নিপূজক । মুসলিম মুজাহিদগণ সে দেশের একটি দুর্গ অবরোধ করেন। সেই অবরোধে আবদ্ধ হয়ে পড়ে সেখানকার অসংখ্য নারী-পুরুষ।
থেমে থেমে যুদ্ধ চলছে। অবরোধও দীর্ঘ হচ্ছে। দুর্গে আটকা পড়া মানুষগুলো ক্রমে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তবুও মুসলমানদেরকে পরাভূত করতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে তারা যাচ্ছে । কিন্তু তাদের কোনো কৌশলই কাজে আসছে না। একের পর এক কুটবুদ্ধি চালিয়ে ফলপ্রসূ হচ্ছে না কোনো চেষ্টা-তদবীরই।

অগ্নিপূজক যুবতীর মুসলমান দেখার আকাঙ্ক্ষা ও মুগ্ধতা
দুর্গের বন্দীদের মাঝে অনিন্দ্য সুন্দরী এক যুবতী ছিল। জীবনে কখনো মুসলমান দেখেনি সে। বহুদিন যাবত তার মনে মুসলমান দেখার আশা। মাঝে মাঝে সে ভাবে, মুসলমানরা কি মানুষ না অন্য কিছু? তাদের নাকি পরাজয় হয় না! ওদেরকে দেখতে বড় ইচ্ছে তার। কিন্তু কোথায় সে ওদেরকে পাবে? কে দিবে তাকে মুসলমানদের সন্ধান?
তার সেই আশা আজ পূর্ণ হতে যাচ্ছে। সে শুনতে পেয়েছে, মুসলমানরা নাকি তাদের দূর্গ ঘেরাও করে রেখেছে। যুবতী এটাকে সুবর্ণ সুযোগ মনে করে। তাই সে মুসলমান দেখার বাসনা নিয়ে কেল্লার একটি সুউচ্চ চূড়ায় আরোহন করে। যেখান থেকে মুসলমানদেরকে স্পষ্ট দেখা যায়৷
যুবতী চারিদিকে চোখ বুলাল। অধীর আগ্রহ নিয়ে মুজাহিদগণকে দেখল। মনে মনে বলল- কই! এরাতো দেখছি আমাদের মতই মানুষ! অন্য কিছু তো নয়। তবে কেন ওরা পরাজয় বরণ করে না? কেন ওদের পরাজয় হয় না? নিশ্চয়ই ওদের ভিতর কোনো অদৃশ্য শক্তি কাজ করে!
এসব ভাবতে ভাবতে যুবতী অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিকে এদিক ওদিক বুলাতে লাগল । হঠাৎ তার দৃষ্টি এক মুসলিম যুবকের উপর আটকে গেল।
আহ! কত সুন্দর যুবক। সুঠাম দেহের অধিকারী। না জানি কত বড় বীরপুরুষ। বীরত্ব জ্বলজ্বল করছে তার চোখে মুখে। কত সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে সৈন্য পরিচালনা করছে সে!!
আহ! তাকে যদি আমি একান্ত করে কাছে পেতাম। আমি যদি তার জীবনসঙ্গী হতে পারতাম! আমি যদি নিজেকে তার মাঝে বিলিয়ে দিতে পারতাম! তাহলে আমি ধন্য হতাম। স্বার্থক হতো আমার নারী জীবন!!
যুবকের অবয়বখানা পূর্ণিমার চাঁদের মত আলো বিকিরণ করছে । চোখ দু’টি কত মধুর ও মায়াময়। আসলে সে কি মানুষ না অন্য কিছু? মানুষ কি এত সুন্দর হয়? হলেও বা কি হবে? তাকে কি আমি পাব? সে কি আমাকে গ্রহণ করবে? তাকে পাওয়া কি আমার পক্ষে সম্ভব?
পরক্ষণেই সে ভাবল, অবশ্যই সম্ভব। কারণ তার চেয়ে আমিও কোনো অংশে কম নই। চেষ্টা করলে উপায় একটা হবেই। এখানে দাঁড়িয়ে থেকে আর সময় নষ্ট করা ঠিক হবে না। অপারেশনে নেমে পড়তে হবে। যেমন করেই হোক তাকে আমার পেতেই হবে। এই বলে যুবতী দূর্গের চূড়া থেকে নেমে আসে। তারপর চলে যায় নিজ কক্ষে।
আরও পড়ুন: অভিভূত রাজকুমারী হেলেনের ইসলামিক যুদ্ধের গল্প
যুবতীর প্রস্তাব ও মুসলিম যুবকের জবাব
যুবতীর একটি বিশ্বস্ত লোক ছিল। কক্ষে প্রবেশ করেই লোকটিকে যুবকের কাছে পাঠিয়ে দিল। আর বলে দিল, তুমি ঐ মুসলিম যুবককে বলবে, দুর্গে আটকা পড়া একটি যুবতী আপনাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে। সে আপনাকে আপন করে কাছে পেতে চায়। অনুগ্রহ করে আপনি যদি তার প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন, তাহলে সে আপনাদের বড় ধরনের একটি সাহায্য করবে। দুর্গের প্রধান ফটক খুলে দেবে। ফলে আপনারা যুদ্ধ ছাড়াই এই দূর্গ জয় করে নিতে পারবেন।
লোকটি খুব সাবধানে দুর্গের দেয়াল টপকাল। ধীরপায়ে হাঁটতে হাঁটতে সেই মুসলিম যুবকটির সামনে এসে উপস্থিত হলো। বিনয়ের সাথে সামনে দাঁড়িয়ে বলল, হে মহান নায়ক! আমি দুর্গের ভেতর থেকে এসেছি। আপনার কাছেই এসেছি। আমাকে অভয় দিলে আপনার নিকট দু’টি কথা বলব।
যুবক বললেন, ঠিক আছে বলো। তবে তার আগে বলো, দুর্গের ভেতরে কীভাবে প্রবেশ করা যাবে? কীভাবে তা জয় করা যাবে? লড়াই যে অনেক দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে? আর কতকাল এখানে বসে থাকব? এক জায়গায় এতদিন বসে থাকলে কি হয়? আল্লাহর উপর ভরসা করে এবার চূড়ান্ত আঘাত হানতে হবে।
যুদ্ধের চিন্তায় কাছে আসা লোকটির কথা একরকম ভুলেই গেছেন যুবক! আর যুদ্ধ নিয়ে যা ভাবছেন, একের পর এক সবই প্রকাশ করে দিচ্ছেন অবলীলায়! হঠাৎ লোকটির দিকে তাকিয়ে সম্বিত ফিরে পেয়ে বললেন- তুমি কে? কোত্থেকে এসেছ?
: আগন্তুক বলল, আমি দুর্গের ভেতর থেকে এসেছি।
: যুবক বললেন, কেন এসেছ? কী চাও? কাকে চাও?
: আগন্তুক বলল, আপনাকে চাই
: যুবক স্ববিস্ময়ে আবার জিজ্ঞেস করলেন, আমাকে? আমার নিকট তোমার কী প্রয়োজন?
: আগন্তুক বলল, বে-আদবী মার্জনা করবেন। এই দুর্গের এক যুবতী আমাকে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন।
: কেন পাঠিয়েছে? জলদি করে বলো। আমার হাতে একদম সময় নেই!
আগন্তুক বলতে শুরু করল- জনাব! দূর্গের চূড়া থেকে আপনার উপর দৃষ্টি পড়তেই সে আপনাকে গভীরভাবে ভালোবেসে ফেলেছে। তাই আপনাকে সে আপন করে কাছে পেতে চায়। বিনিময়ে সে দুর্গের প্রধান ফটক খুলে দেবে। ফলে বিনা যুদ্ধেই আপনারা দূর্গ জয় করে নিতে সক্ষম হবেন ।
যুবক বললেন, তাকে গিয়ে বলো, সে যেন তার দৃশ্যমান দূর্গের সাথে অদৃশ্যের দূর্গকেও আল্লাহর রাহে সমর্পন করে। তবেই সে আমার সাক্ষাৎ লাভ করতে পারবে।
দুর্গ বিজয় ও যুবতীর ইসলাম গ্রহণের আকাঙ্ক্ষা
লোকটি যুবকের দেওয়া সংবাদটুকু নিয়ে যুবতীর কাছে চলে গেল। বলল, মুসলিম যুবক আপনাকে বলেছেন যে, আপনার দৃশ্যমান দূর্গের সাথে অদৃশ্য দূর্গকেও আল্লাহর রাস্তায় সমর্পন করতে। তবেই নাকি তার সাক্ষাৎ পাওয়া সম্ভব হবে।
যুবতী বলল, ঐ যুবককে গিয়ে বলো, আমি দৃশ্যমান দূর্গ বুঝেছি। কিন্তু অদৃশ্য দূর্গ বুঝতে পারিনি? তা যেন তিনি বুঝিয়ে দেন। লোকটি আবার যুবকের নিকট এল। বলল, জনাব! তিনি তো দৃশ্যমান দূর্গ বুঝেছেন। কিন্তু অদৃশ্য দূর্গ কি? তা তিনি বুঝেননি । তাই তার ব্যাখ্যা বলে দিতে পুনরায় আমাকে পাঠিয়েছেন।
যুবক লোকটিকে ব্যাখ্যা শুনিয়ে বলল, তাকে গিয়ে বলো, অদৃশ্যের দূর্গ হলো হৃদয়। সে যেন তার হৃদয়কে আল্লাহর রাস্তায় সঁপে দেয়। অর্থাৎ মুসলমান হয়ে যায়।
এই সংবাদ নিয়ে লোকটি যুবতীর কাছে গেল এবং অদৃশ্য দূর্গের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করল। এই ব্যাখ্যা শুনে যুবতী সাথে সাথে লোকটিকে এই বলে পাঠাল যে, তাকে গিয়ে বলো, আমি আমার হৃদয়-মন সবকিছু আল্লাহর রাস্তায় সঁপে দিলাম। সাথে আরেকটি কথাও বলে দিও। তা হচ্ছে, আমি যখন ফটক খুলব, তখন যুবক যেন সবার অগ্রভাগে থাকেন।
এই সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে যুবক সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করলেন। অতঃপর লোকটিকে বললেন, যাও! তাই হবে। যুবতী কেল্লার প্রধান ফটক খুলে দিলে ইসলামের বীর মুজাহিদরা দলে দলে ভিতরে প্রবেশ করতে থাকে। যুবক অনেক কষ্ট স্বীকার করে সবার আগে থাকল। যুবতী যুবককে দেখামাত্র সবকিছু ভুলে গিয়ে যুবককে জড়িয়ে ধরতে চাইল। কিন্তু যুবক তাকে বাধা দিয়ে বলল, এখনো সময় হয়নি। কারণ প্রথমতঃ তুমি বেগানা। আর দ্বিতীয়ত তুমি- অমুসলমান।
যুবতী : ঠিক আছে। আমাকে মুসলমান বানিয়ে নিন।
যুবক : আমাদের আমীর হলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযি)। তার কাছে চলো। তার হাতে তুমি মুসলমান হবে।
উভয়ে আমীরের দরবারে উপস্থিত হওয়ার পর যুবক বলল, হযরত! এ মেয়েটি মুসলমান হতে চায়। আপনি তাকে মুসলমান বানিয়ে নিন।
যুবতী : না আমি তার হাতে মুসলমান হবো না। আমি তার চাইতেও বড় কোনো ব্যক্তির হাতে মুসলমান হবো।
আমীরে মুজাহিদ আরেকজন যুবককে ডাকলেন। তারপর উভয় যুবককে লক্ষ্য করে বললেন, ওকে নিয়ে তোমরা আমীরুল মুমেনীন হযরত ওমর (রাযি) এর কাছে যাও ৷
মরুভূমির বিশাল বুক চিরে দুই যুবক এক যুবতীকে নিয়ে হাজির হলেন খলীফাতুল মুসলেমীন হযরত ওমর রাযি.এর দরবারে। বললেন, হে আমীরুল মুমেনীন! এই যুবতী আপনার হাতে মুসলমান হতে চায়। আপনি তাকে মুসলমান বানিয়ে ধন্য করুন।
যুবতী : না, না, না। আমি আপনার হাতেও মুসলমান হবো না। আপনার চাইতেও আরো বড় কোনো ব্যক্তির হাতে আমি মুসলমান হবো।
রাসূলের রওজায় যুবতীর শাহাদাত
মেয়েটির কথা শুনে হযরত ওমর রাযি. বুঝে গেলেন যে, সে আসলে সরদারে দোজাহানের হাতে মুসলমান হতে চাচ্ছে। তাই তিনি যুবকদ্বয়কে বললেন, যাও। একে নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা মোবারকে হাজির হও।
প্রিয় নবীজির রওজার পাশে যুবতীকে নিয়ে যাওয়া হলে সে কালিমায়ে শাহাদত পড়তে পড়তে সেখানেই মৃত্যুর অমীয় সুধা পান করে। ধরাপৃষ্ঠের সব মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমায় পরপারে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। [সহায়তায় : আলোর পরশে আলোকিত মানুষ ]
গল্পের শিক্ষা
প্রিয় পাঠক পাঠিকা, অগ্নিপূজক যুবতীর ঘটনা থেকে আমরা এই শিক্ষা নিতে পারি যে:
- হেদায়েত আল্লাহর হাতে: জন্মসূত্রে অগ্নিপূজক হলেও আল্লাহ চাইলে কাউকে সত্যের পথ দেখাতে পারেন — অতীত পরিচয় কখনো ভবিষ্যতের বাধা নয়।
- শরীয়তের সীমা রক্ষা: প্রস্তাব যত আকর্ষণীয়ই হোক, মুসলিম যুবক বিয়ের আগে নৈকট্য নেননি এবং ইসলাম গ্রহণ ছাড়া সম্পর্কে রাজি হননি — প্রকৃত মুসলিম চরিত্রের দৃষ্টান্ত।
- আন্তরিক ঈমান বনাম সাময়িক আবেগ: যুবতী সাধারণ কারো হাতে নয়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতে মুসলমান হতে চেয়েছিলেন — এটাই প্রমাণ করে তার ঈমান ছিল আন্তরিক, নিছক আবেগ নয়।
- সুন্দর পরিণতির আশা: কালিমা পড়তে পড়তে রওজার পাশে ইন্তেকাল প্রমাণ করে, আল্লাহর কাছে দীর্ঘ জীবনের চেয়ে অন্তরের আন্তরিকতাই বেশি মূল্যবান।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: অগ্নিপূজক যুবতীর গল্পটি কোন সময়ের ঘটনা?
উত্তর: হযরত ওমর রাযি.-এর খেলাফতকালে পারস্য বিজয়ের সময় এই ঘটনা ঘটেছিল।
প্রশ্ন: যুবতী কেন মুসলিম যুবকের হাতে ইসলাম গ্রহণ করতে রাজি হননি?
উত্তর: তিনি সরদারে দোজাহান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতে মুসলমান হতে চেয়েছিলেন, কারণ তিনি সবচেয়ে মর্যাদাবান ব্যক্তির হাতে ঈমান আনতে চেয়েছিলেন।
প্রশ্ন: যুবতীর শেষ পরিণতি কী হয়েছিল?
উত্তর: রাসূলের রওজার পাশে কালিমায়ে শাহাদাত পড়তে পড়তে তিনি ইন্তেকাল করেন।
প্রশ্ন: অগ্নিপূজক যুবতীর এই গল্প থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?
উত্তর: এই গল্প থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, আল্লাহ যাকে চান তাকে হেদায়েত দেন, প্রকৃত মুসলিম চরিত্র মানে যেকোনো পরিস্থিতিতে শরীয়তের সীমা রক্ষা করা, আর আন্তরিক ঈমানের পরিণতি সবসময় সুন্দর হয়।
এরপরের গল্প: রুশ তরুণীর ঈমানী চেতনা | ইসলাম গ্রহণের এক অবিশ্বাস্য সত্য ঘটনা
লেখক: মাওলানা মুহাম্মদ মুফীজুল ইসলাম। আদর্শ যুবক যুবতি ২ বই থেকে সংগ্রহিত ও সংযোজিত।
প্রিয় পাঠক পাঠিকা, আশা করি অগ্নিপূজক যুবতীর ইসলাম গ্রহণের কাহিনী পড়ে আপনার ভালো লেগেছে। গল্পটি আপনার বন্ধুদের সাথে ভাগ করতে ভুলবেন না। আপনার মতামত জানাতে কমেন্ট করুন। এবং আমার বাংলা পোস্ট.কম ওয়েবসাইটকে মনে রাখুন। দেখা হবে পরবর্তী গল্পে কিংবা জীবনধারার আর্টিকেলে। বিদায়।