কান্নাভেজা ঈদ (এক অবুঝ শিশুর গল্প)

কান্না ভেজা ঈদ, লেখক এক নিষ্পাপ শিশুর ঈদের দিনের ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনা গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তাহলে আসুন এই নিষ্পাপ শিশুর কান্নাভেজা ঈদ এর গল্পটি পড়া শুরু করি…

কান্নাভেজা ঈদ (এক নিষ্পাপ শিশুর ঈদের দিনের গল্প) 

স্বপ্নীল দেশ ইরাক। তাঁর সোনালী রাজধানী বাগদাদ। দীর্ঘ এক বছর পর ঈদের চাঁদ উঁকি দিয়েছে বাগদাদের আকাশে। কালই ঈদের দিন। মহা খুশির দিন।

ঈদ-অবুঝ শিশুর গল্পঈদের দিন সবাই আনন্দ করবে। ফূর্তি করবে। মা-বাবার সঙ্গে ফিরনি-সেমাই খাবে। বড় আনন্দের সাথে দিনটি উদযাপন করবে–এই তো ঈদের দিনের স্বাভাবিক চিত্র।

ঈদের বাঁকা চাঁদ বাগদাদের অবুঝ শিশু ফারহানের মনেও আনন্দের জোয়ার বইয়ে দেয়। আগামীকাল ঈদ হবে–একথা ভাবতেই তাঁর কচিমনটা খুশিতে ভরে ওঠে।

ফারহানের বয়স চার বছর। সে তাঁর মাকে জিজ্ঞেস করে, আম্মু! আম্মু! কাল তো ঈদ। কিন্তু আব্বু এখনো আসেননি কেন? আব্বু কখন আসবেন? তিনি কি আসবেন না? এবারও কি তাহলে আব্বুকে নিয়ে আমরা ঈদ করতে পারব না?

ফারহানের মায়ের নাম শাকিরা খানম। তিনি ছেলেকে কাছে টেনে সোহাগ করে বললেন, হ্যাঁ বাবা! তোমার আব্বু অবশ্যই আসবেন। এবার তোমাদের সাথেই তিনি ঈদ করবেন।

পিতার জন্য পথ চেয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। সকাল পেরিয়ে দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা  নামে। কিন্তু এখনো তিনি ফিরে আসেননি।

ফারহান পিতার জন্য অস্থির হয়ে ওঠে। সেই সাথে মাকেও বারবার প্রশ্ন করে ব্যতিব্যস্ত করে তুলে। কিছুক্ষণ পরপর একটাই ওর জিজ্ঞাসা-মা! আব্বু তো এখনো এলেন না! কখন আসবেন তিনি? আমি কি আব্বুর সাথে ঈদগাহে যেতে পারব না?

শাকিরা খানম এটা সেটা বলে নানাভাবে ছেলেকে প্রবোধ দেন। সান্ত্বনা দেন। বুঝানোর চেষ্টা করেন। বলেন–এই তো বাবা! আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তোমার আব্বাজান এসে যাবেন।

ফারহানের পিতার নাম হাবীবুর রহমান। তিনি বীর মুজাহিদদের মহান নেতা। মুজাহিদদের কাছে কমাণ্ডার হাবীব নামে পরিচিত। আজ তাঁর বাড়িতে আসার কথা। প্রিয়তম স্ত্রী শাকিরাকে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন একথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি এলেন না। কি হয়েছে তাঁর? খোদা না করুন, কোনো অঘটন ঘটেনি তো!

বেশ চিন্তায় পড়ে গেলেন শাকিরা। ছুটে গেলেন শাশুড়ির কাছে। বললেন, আম্মাজান! ফারহানের আব্বা তো আজ আসার কথা। কিন্তু এখনো যে আসছেন না। ফারহান ওর আব্বুর জন্য অস্থির হয়ে গেছে। তিনি কেন এখনো আসছেন না-একথা অসংখ্যবার জিজ্ঞাসা করে ক্লান্ত হয়ে ও এখন ঘুমিয়ে পড়েছে। ঘুম থেকে ওঠে আবারও তো প্রশ্ন শুরু করে দিবে। আম্মাজান! এখন আমি কি করতে পারি আপনিই বলে দিন।

শাশুড়ী বললেন, হাবীবের হয়তো কোনো কারণে আসতে দেরী হচ্ছে। তুমি কোন চিন্তা করো না বৌ মা! হাবীব যখন যখন বলেছে, তখন সে নিশ্চয় আসবে। আর ফারহান ঘুম থেকে উঠলে আমার কাছে পাঠিয়ে দিও। আমিই ওকে বুঝিয়ে রাখব।

শাকিরা খানম ‘ঠিক আছে’ বলে শাশুড়ীর কাছ থেকে নিজের কামরায় চলে এলেন।

শাশুড়ীর কাছে ফারহানের অস্থিরতার কথা বললেও স্বামীর জন্য তখন শাকিরা খানমের হৃদয়-সাগরে কতবড় ঝড় বয়ে চলছিল তা কেবইল তিনিই বলতে পারবেন। আর বলতে পারবেন মহান আল্লাহ পাক–যিনি প্রতিটি মানুষের মনের খবরও জানেন।

নিজ কামরায় এসে শাকিরা খানম তাঁর আলমারীর ড্রয়ার থেকে একটি চিঠি বের করলেন। এ চিঠিখানা এ পর্যন্ত তিনি কতবার যে পাঠ করে চোখে-মুখে লাগিয়েছেন, বুকে চেপে রেখেছেন তাঁর কোনো হিসেব নেই। স্বামীর জন্য মনটা অস্থির হয়ে ওঠায় আবারো তা পাঠ করার জন্য হাতে নিলেন। স্বামীর পবিত্র হস্তে লিখা এই চিঠিখানা এক সপ্তাহ পূর্বে তাঁর হস্তগত হয়েছিল। যুদ্ধের ময়দান থেকে হাবীব তাঁর স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন–

প্রিয়তম শাকিরা! আমার আন্তরিক দোয়া ও স্নেহ গ্রহণ করো আশা করি আল্লাহর কৃপায় আম্মাজান ও ফারহানকে নিয়ে কুশাওলেই আছ তোমাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি

পর সংবাদ এই যে, এবারের ঈদ তোমাদের নিয়েই করব আমি ঈদের আগের দিন বাড়িতে আসব আল্লাহর রহমতে আমাদের এলাকা এখন অনেকটা শত্রুমুক্ত তুমি কোনো চিন্তা করো না আমি ঠিক সময়ে চলে আসব আম্মাজানকে আমার সালাম ও শ্রদ্ধা জানিও আর ফারহানকে জানিও আমার স্নেহ-আদর ভাল থেকো, সুস্থ থেকো আল্লাহ হাফেজ ইতি-তোমারই হাবীব

স্বামীরত চিঠি হাতে পেয়ে শাকিরা খানম মনে মনে খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন। সেই থেকে অদ্যবধি তাঁর মনে কতো জল্পনা-কল্পনা। ওহ! এতদিন পর স্বামী বাড়ি আসছেন। তাও আবার আগামীকাল ঈদ। দিনটি কতইনা আনন্দে কাটবে তাদের। আরো কতো আশা-আকাঙ্খা মনে! কিন্তু সেই আশা আজ কোনদিকে মোড় নিতে যাচ্ছে তা তিনি জানেন না। তাঁর মনে কেন জানি অজানা এক আশঙ্কা বারবার উদয় হছে। স্বামীর কথা ভেবে হৃদপিণ্ডটা তাঁর বারংবার কেঁপে ওঠছে।

বাগদাদের আকাশজুড়ে তিমির আঁধার। ঘুমিয়ে আছে গোটা নগরী। চারিদিক নিরব-নিথর, নিস্তব্ধ। পথ-ঘাট জনমানব শুন্য। প্রকৃতি যেন গভীর নিদ্রায় ঢলে পড়েছে। কিন্তু ঘুম নেই কেবল একটি প্রাণীর। তিনি হলেন কমান্ডার হাবীবের আদরের স্ত্রী-শাকিরা। চোখের দু’টো পাতা কিছুতেই তিনি মিলাতে পারছেন না। চলমান অবস্থাটা তাঁর কাছে খুবই ভয়ঙ্কর মনে হচ্ছে। অতীতের সব স্মৃতিগুলো  মনের পর্দায় ভেসে উঠেছে একের পর এক।

ফারহান তখন দুই বছরের শিশু। মার্কিনীরা ইরাক আক্রমণ করে। নির্বিচারে মানুষের উপর জুলুম-অত্যাচার চালায়। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ, যুবক-বৃদ্ধ নির্বিশেষে তাদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালায়। তাদের এই আগ্রাসী হামলায় হাবীবের সাহসী মন কেঁপে ওঠে। তিনি মা, স্ত্রী ও আত্মীয়-স্বজনের প্রবল বাধা সত্ত্বেও জিহাদের ট্রেনিং দেন। চলে যান তাগুত প্রতিরোধে জিহাদের ময়দানে। আল্লাহর মহিমায় একের পর এক প্রতিটি অভিযানে তিনি সফল হতে থাকেন। তাঁর যুদ্ধের কৌশল ও সাহসিকতা অতুলনীয়। যার কারণে অল্প দিনের মধ্যেই তিনি সৈনিক থেকে কমান্ডারের পদে উন্নীত হন। সেই থেকে শুরু হয় আরো বীরবিক্রমে অভিযান। কমান্ডারের গুরু দায়িত্ব নিয়ে ময়দানে ব্যস্ত থাকেন তিনি। তাঁর কমান্ডিং অভিযানের আজ দু’ বছর। এরমধ্যে তিনি মাত্র চারবার বাড়ি এসেছেন। এবারের আসা ছিল তাঁর পঞ্চম বারের। কিন্তু তা বুঝি আর হবে না!

এসব ভাবতে ভাবতে এক পর্যায়ে শাকিরা খানম বিছানা ছেড়ে অযু বানিয়ে নেন। দাঁড়িয়ে যান নামাযে। লুটিয়ে পড়েন মহান প্রভুর কুদরতী পায়ে। কাঁদতে থাকেন অঝোরে। অশ্রুতে ভিজে যায় তার জায়নামায। নামায শেষে দোয়া করেন দীর্ঘক্ষণ। এভাবেই অতিবাহিত হয় তাঁর ঈদের রাত।

আজ পবিত্র ঈদের দিন। খুব সকালে ঘুম থেকে জেগে ওঠে ফারহান। বলে, আম্মু! আব্বু কি এসেছেন? আমি না আব্বুর সাথে ঈদগাহে যাব! তিনি এখন কোথায়?

শাকিরা খানম বললেন, বাবা! তোমার আব্বু জরুরি কোনো কাজে ব্যস্ত থাকার দরুণ আসতে পারেননি। এই নাও জামা। এটা পড়ে বন্ধুদের সাথে তুমি ঈদগাহ যাবে। কেমন?

ফারহান আর কিছু বলল না। কিন্তু তাঁর চেহারায় শুন্যতার ভাব ছিল স্পষ্ট। তবুও সে মায়ের আদেশে জামা পরিধান করে বন্ধুদের সাথে ঈদগাহে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে লাগল।

গোসল করে ফারহান কাপড় পড়ল। তারপর বসে রইল বন্ধুদের অপেক্ষায়। এ সময় হঠাৎ অপরিচিত দু’জন লোক তাদের বাড়িতে হাজির হলো। জিজ্ঞেস করল, এটা কি হাবীব ভাইয়ের বাসা?

শাকিরা খানম পর্দার আড়াল থেকে বললেন–জ্বী। কিন্তু আপনারা কারা? কোত্থেকে এসেছেন?

 -আমরা তাঁর বন্ধু। আপনি কি তাঁর স্ত্রী?

-হ্যাঁ, কিন্তু ফারহানের আব্বু কোথায়? গতকাল তো তাঁর বাড়িতে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখনো যে তিনি এলেন না!

-আমরা তাঁর সংবাদ নিয়েই এসেছি। সব বলব। আপনি শান্ত হোন। একথা বলেই একজন বলতে শুরু করলেন-গতকাল আমরা ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলাম। এমন সময় হাবীব ভাই এসে বললেন, আমি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরেছি যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন হেলিকপ্টার আমাদের ক্যাম্পে আক্রমণ করার জন্য আসছে। তোমরা সবাই আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য দ্রুত প্রস্তুত হও।

হাবীব ভাইয়ের কথামত আমরা তৈরি হচ্ছিলাম। এরই মধ্যে পাঁচটি মার্কিন হেলিকপ্টার একযোগে এসে আমাদের ক্যাম্পে অতর্কিত আক্রমণ  চালায়। এমতাবস্থায় আমরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ি। খানিক পর মার্কিনীদের সাথে আমাদের শুরু হয় মরণপণ লড়াই। দেখতে দেখতে আমাদের প্রায় সবাই শহীদ হয়ে যায়। বেচে থাকি শুধু আমি আর হাবীব ভাই। এই কঠিন মুহূর্তে তাঁকে আমি বললাম, হাবীব ভাই! চলুন আমরা এখান থেকে সরে যাই। এখানে আর এক মুহুর্তও থাকা সম্ভব নয়। ঐ দেখুন, তারা বোমা মেরে আমাদের সবাইকে শহীদ করে দিয়েছে। বেছে আছি শুধু আমরা দু’জনই। এখন আমরা যে অবস্থায় আছি তাদের সাথে সে অবস্থায় মোকাবেলা করেও কোনো লাভ নেই। সুতরাং চলুন, আমরা এখান থেকে কেটে পড়ি।

কিন্তু মহাবীর হাবীব ভাই আমার কথা কানেই তুললেন না। বরং বললেন, আমরা বীরের জাতি মুসলমান। কাপুরুষের মত ময়দান থেকে পলায়ন করব কেন? প্রয়োজনে আল্লাহর রাহে তাগুতের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হব। তবুও পিছু হটব না। এ কথা বলেই তিনি স্টেনগান হাতে নিয়ে গুলি করতে করতে শত্রু বেষ্টনিতে ঢুকে পড়েন এবং সর্বশক্তি ব্যয় করে অব্যাহত গতিতে আক্রমণ চালাতে থাকেন। তাঁর এই বীরোচিত আক্রমণে বেশ কয়েকজন কাফের জাহান্নামবাসী হয়। কিন্তু হঠাৎ একটি শক্তিশালী বোমা হাবীব ভাইয়ের সামনে এসে পড়ে। বিকট আওয়াজে ফেটে যায় বোমাটি। আল্লাহু আকবার বলে চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন হাবীব ভাই। ঐ বোমার কিছু অংশ আমাকেও স্পর্শ করলে আমিও অগান হয়ে পড়ি। তারপর কি হয়েছে কিছুই জানি না। পরবর্তীতে যখন জ্ঞান ফিরল, তখন দেখি, আমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি। সেখান থেকেই খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, আমাদের প্রাণপ্রিয় কমান্ডার হাবীব ভাই আর নেই। তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেছেন।

এ কথা শোনার সাথে সাথে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শাকিরা খানম। ফারহান এবং তাঁর দাদীও কাঁদতে থাকেন অঝোর ধারায়। তাদের কান্নায় ভারী হয়ে যায় আকাশ-বাতাস। এক পর্যায়ে শাকিরা খানম একমাত্র ছেলে ফারহানকে জড়িয়ে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বাড়িতে সৃষ্টি হয় এক বেদনাবিদূর পরিবেশ। মা কাঁদছেন ছেলেকে হারিয়ে। ছেলে কাঁদছে পিতাকে হারিয়ে। আর শাকিরা খানম কাঁদছেন স্বামীকে হারিয়ে। তবু তাদের মনে এতটুকু সান্ত্বনা যে, তাদের হাবীব বীরের মতোই আল্লাহর দীনের জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। জীবনের মায়ায় যুদ্ধের ময়দানে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেননি।

সারা পৃথিবী মানুষ যখন ঈদের  আনন্দে উল্লসিত, পবিত্র ঈদ উদযাপনে লিপ্ত, ঠিক সেই মুহুর্তে ইরাকের হাবীব পরিবারকে  ঘিরে নিয়েছিল বিষাদের ছায়া। হে আল্লাহ! তুমি তাদেরকে সবরে জামীল এখতিয়ার করার তাওফীক দাও। দাও উত্তম পুরস্কার।  

প্রিয় পাঠকবৃন্দ! পৃথিবীর দেশে দেশে এভাবেই অসংখ্য স্বামী শুধু দীনের খাতিরে প্রাণের জীবনটাকে উৎসর্গ করে চলেছেন। বিধবা করে চলেছেন তাদের প্রিয়তম স্ত্রীদেরকে। তবে মনে রাখবেন, তাদের এই কুরবানী, তাদের এই ত্যাগ বৃথা যাচ্ছে না, যাবেও না। কারণ ইসলাম জিন্দা হোতা হে হার কারবালা কি বাদ। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে দীনের জন্য জান, মাল, সময় ব্যয় করার তাওফীক দান করুন। আমীন!!

-সহায়তায়, মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল নোমান, ড. ফয়জুলমহী সড়ক, একাডেমী, ফেনী।

লেখকঃ মাওলানা মুফীজুল ইসলাম (আদর্শ স্বামী স্ত্রী ১)

এরপর পড়ুন : কসম খাওয়ার বিভ্রাট

প্রিয় পাঠক পাঠিকা, লেখকের কান্নাভেজা ঈদ গল্পটি পড়ে কেমন লেগেছে তা আমাদের কে জানাতে কমেন্ট করে আপনার মতামত দিন এবং গল্প টি পড়ে ভালো লাগলে এটি শেয়ার করুন। 

For more update please follow our Facebook, Twitter, Instagram , Linkedin , Pinterest , Tumblr And Youtube channel.

The author tells the story of an innocent child in Iraq. Everyone will rejoice on the of Eid day. Firni-semai will eat with parents. Celebrate the of Eid day with much joy – this is the normal image of the day of Eid. But the opposite happened in the life of this innocent child.

Rubel

Creative writer, editor & founder at Amar Bangla Post. if you do like my write article, than share my post, and follow me at Facebook, Twitter, Youtube and another social profile.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!