যেকারণে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা ‘আদিবাসী’ স্বীকৃত নয়  

(সরকারের যুক্তি ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট) আমাদের বাংলাদেশ একটা বহু সংস্কৃতির দেশ। এখানে বিভিন্ন ভাষা আর জীবনধারার মানুষ পাশাপাশি বাস করে। এদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের ‘আদিবাসী’ বলে পরিচয় দিতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন কারণে তাদের ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারছে না। সরকার বরং তাদের ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী’ বা ‘নৃ-গোষ্ঠী’ বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। আর এই যে একটা শব্দের পার্থক্য, এর পেছনে কিন্তু অনেক বড় কারণ আছে—যা শুধু ভাষা নিয়ে বিতর্ক নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ, নিরাপত্তা আর আন্তর্জাতিক নিয়মের সঙ্গেও জড়িত।

বাংলাদেশে আদিবাসী স্বীকৃতি বিতর্ক
ছবিঃ সাজেক। চিত্র গ্রাহক drroobs, pixabay.

এই লেখায় আমরা সহজভাবে আলোচনা করব, কেন বাংলাদেশ সরকার এই জনগোষ্ঠীগুলোকে ‘আদিবাসী’ বলতে চায় না, এই বিষয়ে সরকারের যুক্তিগুলো কী, আর আন্তর্জাতিকভাবে এই ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতির নিয়মকানুনগুলো কী বলছে।

আদিবাসী’ ও ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ – শব্দের পার্থক্য কী?

প্রথমেই জানা দরকার, ‘আদিবাসী’ আর ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দ দুটোর মানে কী এবং কেন এই পার্থক্যটা এত গুরুত্বপূর্ণ।

‘আদিবাসী’ (Indigenous Peoples) বলতে সাধারণত এমন জনগোষ্ঠীকে বোঝানো হয় যারা একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে শত শত বছর ধরে, এমনকি সেখানকার প্রধান জনসংখ্যারও আগে থেকে বাস করে আসছে। তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, আইনকানুন আর জীবনযাপন পদ্ধতি আছে, যা সেখানকার মূল স্রোতের মানুষের থেকে একদম আলাদা। তারা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তারা নিজেদের ‘আদিবাসী’ হিসেবেই পরিচয় দিতে চায়।

অন্যদিকে, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বলতে আমরা তাদের বুঝি যারা একটা দেশের মোট জনসংখ্যার তুলনায় সংখ্যায় কম, কিন্তু তাদের নিজস্ব একটা সংস্কৃতি, ভাষা বা ঐতিহ্য আছে। তারা হয়তো সেই ভূখণ্ডের প্রথম বাসিন্দা নন, কিন্তু একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের অংশ।

বাংলাদেশের চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, গারো, ত্রিপুরা, মণিপুরি—এসব জনগোষ্ঠী নিজেদের ‘আদিবাসী’ দাবি করে। তবে, ইতিহাস ও গবেষণা ঘাঁটলে দেখা যায়, এদের অনেকেই এই ভূখণ্ডের সবচেয়ে পুরোনো বাসিন্দা নন। অনেক ঐতিহাসিক প্রমাণ অনুযায়ী, এই জনগোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন সময়ে, এমনকি কয়েকশ বছর আগে বা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলেও বাংলাদেশে এসেছে। তাই, বাংলাদেশ সরকার মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দের সংজ্ঞা আর ঐতিহাসিক বাস্তবতার সঙ্গে তাদের আগমন মেলে না।

‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি না দেওয়ার কারণ!

বাংলাদেশ সরকার ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহারে অনেক সতর্কতা অবলম্বন করে। । এর পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবং যুক্তি রয়েছে:

ঐতিহাসিক যুক্তি : সরকার মনে করে, বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী ‘আদিবাসী’ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে না, কারণ সবাই কোনো না কোনো সময় এই অঞ্চলে এসেছে। বাঙালিরাই এই অঞ্চলের প্রধান ও প্রাচীনতম জনগোষ্ঠী, আর বাকিরা পরবর্তীকালে এসেছে। এশিয়া মহাদেশের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের  অভিবাসন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ারই অংশ।

আন্তর্জাতিক আইনের ব্যাখ্যা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন

‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলে কিছু আন্তর্জাতিক চুক্তি ও আইনে (যেমন: ILO Convention 169 বা জাতিসংঘের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার বিষয়ক ঘোষণা – UNDRIP) তাদের জন্য বিশেষ কিছু অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

ঐতিহ্যবাহী ভূমির মালিকানা ও স্বশাসনের দাবি: আদিবাসীরা তাদের চিরাচরিত ভূমির ওপর একক মালিকানা দাবি করতে পারে, এমনকি নিজস্ব স্বশাসিত অঞ্চলও চাইতে পারে। সরকার মনে করে, এমন দাবি বাস্তবায়িত হলে দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।

রাষ্ট্রীয় সম্পদের ওপর বিশেষ অধিকার: কিছু ক্ষেত্রে আদিবাসীরা তাদের এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদের (যেমন: বন, খনিজ সম্পদ) ওপর বিশেষ অধিকার দাবি করতে পারে। এতে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হস্তক্ষেপ: ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতি পেলে তারা আন্তর্জাতিক ফোরামে সরাসরি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ পেতে পারে, যা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত।

সংবিধানের অবস্থান: বাংলাদেশের সংবিধানে দেশের সব নাগরিককে ‘বাঙালি’ হিসেবে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে এবং জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে ‘বাঙালি’ জাতীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী, আদিবাসী ও সম্প্রদায়’-এর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি রক্ষায় রাষ্ট্রের ভূমিকার কথা বলা হয়েছে, আর তাই  আলাদা করে ‘আদিবাসী’ শব্দটি প্রশাসনিকভাবে ব্যবহার করা হয় না। সরকার মনে করে, এই অনুচ্ছেদের ‘আদিবাসী’ শব্দটি কেবল একটি সাধারণ পরিভাষা, নির্দিষ্ট আইনগত স্বীকৃতি নয়।

জাতীয় ঐক্য ও সংহতি: বাংলাদেশ সরকার মনে করে, ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি দিলে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ তৈরি হতে পারে এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব বাড়তে পারে। এটি দেশের জাতীয় ঐক্য ও সংহতির জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে, যা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি।

সকল নাগরিকের সমান অধিকার: বাংলাদেশ সরকার মনে করে, দেশের সব নাগরিক সমান। ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি দিয়ে কাউকে বিশেষ সুবিধা দিলে তা অন্যান্য নাগরিকদের অধিকারের পরিপন্থী হতে পারে। সরকার চায়, সকল ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য নাগরিকদের মতোই সমান সুযোগ ও অধিকার নিয়ে জীবনযাপন করুক।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কী বলছে!

আন্তর্জাতিকভাবে ‘আদিবাসী’ জনগোষ্ঠীর জন্য আলাদা সংজ্ঞা ও তাদের অধিকার নিয়ে বেশ কিছু নিয়মকানুন আছে। যেমন:

ILO Convention 169 (আদিবাসী ও ট্রাইবাল জনগোষ্ঠী বিষয়ক কনভেনশন) এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় কাজ করে। এই কনভেনশনে বলা হয়েছে, আদিবাসীরা হলো তারা যারা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রাচীনতম বাসিন্দা, এবং তাদের নিজস্ব সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা মূল স্রোতের থেকে আলাদা।

United Nations Declaration on the Rights of Indigenous Peoples (UNDRIP) এটি আদিবাসীদের অধিকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ঘোষণা। এখানে আদিবাসীদের স্ব-নির্ধারণ, ভূমি, সংস্কৃতি ও ভাষার অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই মানদণ্ডগুলোর প্রয়োগ

বাংলাদেশ সরকার মনে করে, আন্তর্জাতিক এই মানদণ্ডগুলো বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রযোজ্য নয়। কারণ:

ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা: আন্তর্জাতিক সংজ্ঞায় ‘ঐতিহাসিকভাবে প্রথম অধিবাসী’ হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, সরকার মনে করে, দেশের বর্তমান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলো এই অর্থে ‘প্রথম অধিবাসী’ নয়, বরং বিভিন্ন সময়ে অভিবাসনের মাধ্যমে এই অঞ্চলে এসেছে।

স্বতন্ত্রতা: যদিও বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি আছে, কিন্তু তাদের অনেকেই ধীরে ধীরে মূলধারার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে, বিশেষ করে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের কারণে। আন্তর্জাতিক আইনে ‘আদিবাসী’ হতে হলে মূল স্রোতের থেকে একদম আলাদা পরিচয় বজায় রাখার উপর জোর দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি: জাতীয় একতা ও উন্নয়নই প্রধান লক্ষ্য

বাংলাদেশ সরকার মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের চেয়ে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী’ শব্দ ব্যবহার করা অনেক বেশি যুক্তিসঙ্গত। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন এই জনগোষ্ঠীগুলোর স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সম্মান জানানো যায়, তেমনি দেশের জাতীয় ঐক্য ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ থাকে।

সরকার এই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর উন্নয়নে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে:

শিক্ষার উন্নয়ন: তাদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বৃত্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে মাতৃভাষায় পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা: দুর্গম এলাকায় তাদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংস্কৃতি সংরক্ষণ: তাদের ভাষা, পোশাক, উৎসব ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকারিভাবে সহায়তা করা হচ্ছে।

আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্রঋণ প্রদান এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার চেষ্টা চলছে।

সরকার চায়, এই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোও দেশের উন্নয়নে সমানভাবে অংশ নিক এবং অন্যান্য নাগরিকদের মতো সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করুক, কিন্তু দেশের অখণ্ডতা যেন কোনোভাবে হুমকির মুখে না পড়ে।

পরিচয় নয়, অধিকারই সবচেয়ে বড়!

‘আদিবাসী’ নাকি ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী’—এই বিতর্কের গভীরে নামলে দেখা যায়, এটি কেবল একটি শব্দ বেছে নেওয়ার প্রশ্ন নয়; বরং এটি জাতীয় নিরাপত্তা, ঐক্য ও ইতিহাস-নির্ভর বাস্তবতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু এই শব্দচয়নের দ্বন্দ্বের চেয়ে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই জনগোষ্ঠীগুলোর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।

পরিচয় বড় হলেও অধিকার আরও বড়। শুধুমাত্র ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মধ্যেই যদি সম্মান নিহিত থাকে, তবে তা হবে একতরফা আবেগ। বরং তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, জমি, শিক্ষা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ সরকার যখন ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা দিতে চায়, তখন মূল কথা হয়ে দাঁড়ায়—তাদের অধিকার কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অতএব, জাতি হিসেবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত এমন, যেখানে পরিচয়ের লেবেল নয়, বাস্তব জীবনের সুযোগ ও মর্যাদাই মুখ্য। কারণ, যখন প্রতিটি জনগোষ্ঠীর অধিকার সমভাবে স্বীকৃত ও সংরক্ষিত হয়, তখনই একটি সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। তাই আসুন, পরিচয়ের বিতর্ক নয়, বরং অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমরা একসাথে কাজ করি।

🌍 রোহিঙ্গা বাস্তবতা ও জাতীয় ঐক্য নিয়ে আরও জানুন

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট শুধু মানবিক নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও ঐক্যের প্রশ্নেও গভীর প্রভাব ফেলে।

👉 রোহিঙ্গা বাস্তবতা ও বাংলাদেশের মানবিক চ্যালেঞ্জ

✍️ লেখক পরিচিতি

সাখাওয়াতুল আলম চৌধুরী — লেখক ও সমাজ গবেষক। তিনি বাংলাদেশে জাতিগত বৈচিত্র্য, মানবাধিকার ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।

👉 আরও লেখাগুলো পড়ুন

🧠 জানতেন কি? বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে “জাতিগোষ্ঠী” শব্দটি ব্যবহার করা হলেও “আদিবাসী” শব্দটি নেই—এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ইঙ্গিত।

Leave a Comment

Discover more from Amar Bangla Post

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading