ইসলামী বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররম। এটি কেবল একটি নতুন বছরের আগমনী বার্তাই নিয়ে আসে না, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর তাৎপর্যপূর্ণ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা ও শিক্ষা। মুহররম মাসের দশম দিনকে বলা হয় আশুরা, যা বহু যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে আছে বিভিন্ন নবী-রাসূলদের (আ.) জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সব ঘটনার জন্য। আর এই আশুরার সঙ্গেই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে কারবালার হৃদয়বিদারক ইতিহাস, যেখানে শাহাদাত বরণ করেছিলেন মহানবী (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) ।
দুঃখজনকভাবে, অনেক সময় আশুরা ও কারবালাকে এক করে দেখা হয়, যা ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক নয়। আশুরার তাৎপর্য কারবালার ঘটনার বহু পূর্ব থেকেই প্রতিষ্ঠিত, আর কারবালা হচ্ছে আশুরার দিনে সংঘটিত একটি মর্মান্তিক ঘটনা। এই কলামে আমরা মুহররম, আশুরা ও কারবালার প্রকৃত তাৎপর্য, শিক্ষণীয় দিক এবং আমাদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

মুহররম: এক সম্মানিত মাস!
‘মুহররম’ শব্দের অর্থ ‘হারাম’ বা ‘নিষিদ্ধ’। এটি সেই চারটি সম্মানিত মাসের (আশহুরুল হুরুমের) একটি, যে মাসগুলোতে যুদ্ধবিগ্রহ ও রক্তপাত ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোরআন ও হাদীসের অসংখ্য স্থানে এই মাসের মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার মাস মুহররমের রোজা।” (মুসলিম)। সাহাবায়ে কেরামও এই মাসকে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখতেন এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করতেন। এটি শুধু শোকের মাস নয়, বরং আত্মসমীক্ষা ও ইবাদতের মাস।
ইসলামে আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য
আশুরা, অর্থাৎ মুহররমের দশম দিন, ইসলামী ইতিহাসে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে। এই দিনে সংঘটিত হয়েছে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর প্রেরিত নবী-রাসূলদের (আ.) সাথে সম্পর্কিত। বিভিন্ন সহীহ হাদীস ও ইসলামী উৎস থেকে আশুরার দিনে ঘটে যাওয়া দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়:
প্রথমত, ফেরাউনের নির্যাতন থেকে হযরত মূসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের মুক্তি লাভ। আল্লাহ তায়ালা এই দিনে সাগরকে দু’ভাগে বিভক্ত করে তাঁদের জন্য পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে তাঁরা নিরাপদে ফিরাউনের কবল থেকে রক্ষা পান।
দ্বিতীয়ত, ফেরাউনের সলিল সমাধি। মূসা (আ.) ও তাঁর সাথীরা সমুদ্র অতিক্রম করার পর ফিরাউন তার বিশাল সৈন্যদল নিয়ে তাঁদের ধাওয়া করে। কিন্তু আল্লাহ তা’আলার নির্দেশে সাগরের পানি পুনরায় এক হয়ে যায় এবং ফিরাউন তার সকল সৈন্যসহ সমুদ্রের অতলে ডুবে মারা যায়। এই ঘটনাটি মানবজাতির জন্য এক বিরাট নিদর্শন এবং জালিমের পতন ও মজলুমের মুক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। (বুখারী ৩৩৯৭, মুসলিম ১১৩৯)
এই দুটি ঘটনা নির্ভুল ও সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত। তবে, আশুরার দিনে আরও কিছু ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন কিতাবে বিক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে, যার অধিকাংশই ‘ইসরাইলী বর্ণনা’ বা দুর্বল সূত্রে বর্ণিত। দীর্ঘকাল ধরে উপমহাদেশের ইসলামে এইসব কাহিনী প্রচলিত থাকলেও, সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে এর সবগুলোর সত্যতা প্রমাণিত নয়। নিম্নে এমন কিছু প্রচলিত ঘটনার উল্লেখ করা হলো, যার সঠিক তথ্যসূত্র সহীহ হাদীস থেকে পাওয়া যায় না:
- আল্লাহ তায়ালা এই দিনে প্রথম মানব আদম (আ.) কে সৃষ্টি করেন এবং জান্নাতে স্থান দেন। পরবর্তীতে এই দিনেই আদম ও হাওয়া (আ.) কে দুনিয়ায় পাঠানো হয় এবং একইসাথে তাঁরা আল্লাহর ক্ষমা লাভ করেন। (দুর্বল সূত্রে বর্ণিত)
- আল্লাহ তায়ালা এই মুহররমের ১০ তারিখে সৃষ্টির সূচনা করেন।
- এই দিনে হযরত নূহ (আ.) এবং তাঁর সাথীরা বন্যা-প্লাবন থেকে মুক্তি পান। (দুর্বল সূত্রে বর্ণিত)
- আশুরার দিন শুক্রবার কিয়ামত সংঘটিত হবে।
- হযরত ইদ্রিস (আ.) কে সম্মানিত স্থানে (আকাশে) তুলে নেওয়া হয়।
- আল্লাহ তায়ালা এই দিনে হযরত মূসা (আ.) এর সাথে কথা বলেন এবং তাঁর উপর তাওরাত শরীফ নাযিল করেন।
- মুহররমের দশ তারিখ হযরত ইউনুস (আ.) ৪০ দিন মাছের পেটে থাকার পর মুক্তি লাভ করেন।
- এই দিনে হযরত মরিয়ম (আ.) এর গর্ভ হতে হযরত ঈসা (আ.) পৃথিবীতে আগমন করেন। (দুর্বল সূত্রে বর্ণিত)
- হযরত আইয়ুব (আ.) দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সুস্থতা লাভ করেন।
- এই দিনে দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর হযরত ইউসুফ (আ.) তাঁর পিতা হযরত ইয়াকুব (আ.) এর সাথে মিলিত হন।
আল্লাহ তায়ালা এই দিনে হযরত ঈসা (আ.) কে আসমানে তুলে নেন। - এই দিনে হযরত ইব্রাহীম (আ.) খলিল উপাধি লাভ এবং নমরূদের অগ্নিকুণ্ড থেকে মুক্তিলাভ করেছিলেন।
- এই দিনে হযরত দাউদ (আ.) এর দোয়া কবুল এবং তাঁর পুত্র হযরত সুলাইমান (আ.) কে বিশ্বব্যাপী কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে।
উপরিউক্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে কিছু বর্ণনা বিভিন্ন কিতাবে দুর্বল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যেমন, হযরত আদম (আ.) এর তাওবা কবুল হওয়ার বর্ণনা আবুল কাসিম ইস্পাহানী (রাহ.) কর্তৃক সংকলিত “আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব” কিতাবে এসেছে (১৮৬৮ নং রেওয়ায়েত), তবে সনদ দুর্বলতার কারণে মুহাদ্দিসগণের বিশুদ্ধতার মানদণ্ডে তা উত্তীর্ণ হতে পারেনি। মুসনাদে আহমাদে হযরত নূহ (আ.) এর নৌকা নোঙর সম্পর্কিত একটি হাদিস এসেছে (মুসনাদে আহমাদ ১৪/৩৩৫, হাদীস ৮৭১৭), যা মুহাদ্দিসগণের বিবেচনায় দুর্বল বলা হয়েছে। “আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব” কিতাবে হযরত ঈসা (আ.) এর জন্ম আশুরার দিনে হয়েছে বলেও একটি সনদে এসেছে, যা দুর্বল প্রমাণিত হয়েছে। এইসব বর্ণনাকে শতভাগ সত্য বলে মনে করা উচিত নয়। আমাদের উচিত, সহীহ সূত্রে প্রমাণিত ঘটনাগুলোর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা এবং দুর্বল বর্ণনাগুলোকে সতর্কতার সাথে গ্রহণ করা।
কারবালার হৃদয়বিদারক ইতিহাস!
আশুরার দিনের সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা হচ্ছে কারবালার যুদ্ধ। এটি ঘটেছিল ৬১ হিজরীর ১০ই মুহররম (৬০০ খ্রিস্টাব্দের ১০ই অক্টোবর)। এই দিনে ইরাকের কারবালা প্রান্তরে উমাইয়া খলিফা ইয়াজিদের সৈন্যবাহিনীর হাতে মহানবী (সা.) এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন (রা.), তাঁর পরিবার ও স্বল্পসংখ্যক সাহাবায়ে কিরাম শাহাদাত বরণ করেন।
ইয়াজিদের অন্যায় ও স্বৈরাচারী শাসন এবং ইসলামী মূল্যবোধের অবক্ষয় যখন চরম সীমায় পৌঁছেছিল, তখন ইমাম হুসাইন (রা.) মদীনা থেকে যাত্রা করেন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল রক্তপাত নয়, বরং ইসলামী খেলাফতের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং মুসলিম উম্মাহকে বিপথগামী নেতৃত্ব থেকে রক্ষা করা। কিন্তু ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে তাঁকে নির্মমভাবে অবরুদ্ধ করা হয়। পানি ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে অত্যন্ত অমানবিক পরিবেশে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়।
কারবালার যুদ্ধ ছিল অসম। একদিকে ইয়াজিদের সুসংগঠিত বিশাল সেনাবাহিনী, অন্যদিকে ইমাম হুসাইনের (রা.) সাথে ছিলেন নারী, শিশু এবং হাতে গোনা কিছু অনুসারী। তবুও তাঁরা সত্যের পথে অবিচল ছিলেন। একে একে তাঁরা শাহাদাত বরণ করতে লাগলেন। অবশেষে ইমাম হুসাইন (রা.) নিজে ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। তাঁর শাহাদাত শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং এটি মুসলিম উম্মাহর জন্য সত্য, ন্যায় এবং আদর্শের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের এক অনন্ত অনুপ্রেরণা।
এখানে আবারও মনে রাখা জরুরি: আশুরা এবং কারবালা এক নয়। আশুরা ইসলামী ক্যালেন্ডারে কারবালার ঘটনার বহু আগে থেকেই সম্মানিত এবং গুরুত্বপূর্ণ। কারবালার ঘটনা আশুরার দিনে ঘটলেও, আশুরার ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব কারবালার ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
কারবালার শিক্ষণীয় দিক!
কারবালার শাহাদাত আমাদের জন্য গভীর শিক্ষণীয় বার্তা বহন করে: সত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান: ইমাম হুসাইন (রা.) দেখিয়ে গেছেন, অন্যায়, জুলুম ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপোষহীনভাবে দাঁড়ানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এমনকি যদি তাতে জীবন উৎসর্গ করতে হয়। ত্যাগ, ধৈর্য ও সাহসিকতার শিক্ষা: কারবালার ঘটনা আমাদের শেখায় চরম প্রতিকূলতার মুখেও ধৈর্য ধারণ করা, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং দ্বীনের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করার মানসিকতা। মুসলিম সমাজে ন্যায় ও আদর্শ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব: ইমাম হুসাইন (রা.) এর শাহাদাত মুসলিম উম্মাহকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ন্যায়বিচার ও ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব।
আশুরার আমল ও সুন্নাহ!
আশুরার দিনে রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। রাসূলুল্লাহ (সা.) আশুরার দিনে রোজা রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন। তিনি বলেছেন, “আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়।” (মুসলিম)
আশুরার রোজা কিভাবে পালন করতে হয় তা নিয়েও কিছু নির্দেশনা রয়েছে। নবীজি (সা.) ইহুদিদের সাথে সাদৃশ্য পরিহার করার জন্য আশুরার (১০ মুহররম) সাথে ৯ মুহররম অথবা ১১ মুহররম মিলিয়ে রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই, আশুরার রোজা পালনের সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো ৯ ও ১০ মুহররম অথবা ১০ ও ১১ মুহররম রোজা রাখা।
রোজা ছাড়াও এই দিনে অন্যান্য নেক আমল যেমন দোয়া করা, দান-সদকা করা, আল্লাহর কাছে তওবা করা এবং বেশি বেশি ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকা উচিত।
প্রচলিত ভুল ধারণা ও বিদআত!
দুঃখজনকভাবে, আশুরাকে কেন্দ্র করে মুসলিম সমাজে কিছু ভুল ধারণা ও বিদআত প্রচলিত আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- অতিরঞ্জিত কর্মসূচি: আশুরাকে শুধুমাত্র শোক ও মাতমের দিন হিসেবে পালন করা, যেখানে ইসলামের শিক্ষা লঙ্ঘন করে মাতম, বুক চাপড়ানো, নিজেকে আঘাত করা এবং শোক মিছিলের নামে রাস্তা অবরোধ করা হয়।
- শোকসভা ও তাজিয়া: কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাজিয়া মিছিল বের করা এবং শোকসভা আয়োজন করা, যা সহীহ আকিদা ও সুন্নাহর পরিপন্থী। নবীজি (সা.) বা সাহাবায়ে কেরাম শোক প্রকাশের এই ধরনের কোনো পদ্ধতি অনুমোদন করেননি।
- বিশেষ খাবারের প্রচলন: আশুরার দিনকে কেন্দ্র করে খিচুড়ি বা অন্য কোনো বিশেষ খাবার তৈরি ও বিতরণের যে প্রচলন রয়েছে, তার কোনো ভিত্তি ইসলামে নেই।
এইসব কাজ নব উদ্ভাবিত বিদআত, যা থেকে মুসলিম উম্মাহকে দূরে থাকা উচিত। আমাদের উচিত সহীহ আকিদা ও সুন্নাহর ভিত্তিতে আশুরা পালন করা।
মুহররম, আশুরা ও কারবালা: আমাদের করণীয়
মুহররম, আশুরা ও কারবালার প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করে আমাদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পালন করা উচিত:
- হৃদয়ে ইমাম হুসাইনের (রা.) আদর্শ ধারণ: শাহাদাতে কারবালার মূল শিক্ষা হলো সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকা। আমাদের জীবনেও এই আদর্শকে ধারণ করতে হবে এবং অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
- কুরআন-সুন্নাহর আলোকে এই মাসে আমল করা: মুহররম মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা, আল্লাহর জিকির করা এবং অন্যান্য নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা।
- মুসলিম ঐক্য ও আদর্শিক দৃঢ়তা গঠন: কারবালার ঘটনা মুসলিম উম্মাহর বিভেদ ও অনৈক্যের ফল। আমাদের উচিত সকল প্রকার বিভেদ ভুলে মুসলিম ঐক্য ও আদর্শিক দৃঢ়তা গড়ে তোলা।
উপসংহার
মুহররম ও আশুরার প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা এবং কারবালার শিক্ষা থেকে বাস্তব জীবনে পথ গ্রহণ করা আমাদের সকলের জন্য অপরিহার্য। এই মাস আমাদের শুধু নতুন বছরের আগমনী বার্তাই দেয় না, বরং দ্বীন ও ন্যায়ের পথে দৃঢ়তা, ত্যাগ এবং অবিচলতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। আসুন, আমরা বিদআত ও কুসংস্কার পরিহার করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে এই মাসকে বরণ করি এবং ইমাম হুসাইন (রা.) এর শাহাদাতের প্রকৃত বার্তা আমাদের জীবনে প্রতিফলিত করি।
সাখাওয়াতুল আলম চৌধুরী লেখক ও সমাজ গবেষক